আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি মানুষের বিনোদনের অধিকার আছে — নিরাপদে, স্বচ্ছভাবে এবং নিজের ভাষায়। সেই বিশ্বাস থেকেই c17-এর জন্ম।
c17 শুধু একটি গেমিং সাইট নয় — এটি একটি প্রতিশ্রুতি
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে নিরাপদ, স্বচ্ছ ও মনোরম অনলাইন বিনোদন পৌঁছে দেওয়া। c17 চায় প্রযুক্তির সুবিধা ব্যবহার করে সত্যিকারের আনন্দময় অভিজ্ঞতা তৈরি করতে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত এবং প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রগামী অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। আমরা চাই c17 হোক সেই জায়গা যেখানে মানুষ বিশ্বাস নিয়ে আসে এবং আনন্দ নিয়ে ফিরে যায়।
প্রতিটি সদস্যের সাথে সৎ থাকা, পুরস্কার সময়মতো দেওয়া এবং যেকোনো সমস্যায় পাশে থাকা। c17-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকে সদস্যের সুবিধা ও নিরাপত্তা।
প্রতিটি বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সদস্যদের কথা মাথায় রেখে
c17-এ প্রতিটি লেনদেন ও ব্যক্তিগত তথ্য ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। আমাদের AI-চালিত ফ্রড ডিটেকশন সিস্টেম সার্বক্ষণিক আপনার একাউন্ট পাহারা দেয়।
ISO 27001 সার্টিফাইডbKash ও Nagad-এর মাধ্যমে গড়ে মাত্র ৫ মিনিটে ডিপোজিট ও ১৫ মিনিটে উইথড্রয়াল। c17 কখনো জয়ের টাকা আটকে রাখে না — এটি আমাদের মূলনীতি।
৯৯.৭% সফল লেনদেনক্রিকেট থেকে কাবাডি, BPL থেকে ICC World Cup — বাংলাদেশের মানুষ যা ভালোবাসেন তার সব c17-এ আছে। প্রতিটি বড় টুর্নামেন্টে বিশেষ অফার পাওয়া যায়।
৩০+ খেলার বিভাগc17-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায় পরিচালিত। নিবন্ধন থেকে কাস্টমার সাপোর্ট — সব কিছু নিজের ভাষায়। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই।
পুরোপুরি বাংলায়যেকোনো স্মার্টফোনে c17 সুন্দরভাবে কাজ করে। আলাদা অ্যাপ ডাউনলোড না করেই মোবাইলের ব্রাউজার থেকে সব সুবিধা পাওয়া যায়। ডেটা খরচও কম।
সব ডিভাইসে চলেc17-এর রিওয়ার্ড সিস্টেমে প্রতিটি বেট থেকে পয়েন্ট জমা হয়। ওয়েলকাম বোনাস, ডেইলি ক্যাশব্যাক, VIP সুবিধা — নিয়মিত সদস্যরা সবচেয়ে বেশি পান।
প্রতিদিন নতুন অফারশুরু থেকে আজ পর্যন্ত — প্রতিটি মাইলফলক আমাদের গর্বিত করে
একটি ছোট দলের স্বপ্ন থেকে শুরু। লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি সত্যিকারের নিরাপদ ও বাংলা ভাষায় অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। প্রথম দিন মাত্র কয়েকশত সদস্য ছিল, কিন্তু উৎসাহ ছিল অসীম।
মাত্র এক বছরের মধ্যে c17-এর সদস্য সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়। bKash পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশন চালু হয় এবং ক্রিকেট বেটিং বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। সদস্যদের আস্থাই ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
c17-এ লাইভ স্পোর্টস বেটিং ও প্রগ্রেসিভ জ্যাকপট সিস্টেম চালু হয়। প্রথম মেগা জ্যাকপট বিজয়ী ছিলেন চট্টগ্রামের একজন সদস্য, যিনি ৳৩৮ লাখ জিতেছিলেন।
Nagad পেমেন্ট গেটওয়ে যোগ হয় এবং চার স্তরের VIP প্রোগ্রাম চালু হয়। ২০২২ সালে c17-এ মোট পুরস্কার বিতরণ হয় ১৫ কোটি টাকারও বেশি। সদস্য সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
c17 এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন গেমিং পরিবার। ৫ লাখের বেশি সদস্য, ৪৭ কোটি টাকার বেশি পুরস্কার বিতরণ এবং ৩০টির বেশি খেলার বিভাগ নিয়ে c17 এগিয়ে চলছে।
c17-এর প্রতিটি সিদ্ধান্ত এই মূল্যবোধ দিয়ে পরিচালিত হয়
সদস্যের প্রতিটি টাকা নিরাপদ — এটি আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
সব নিয়ম স্পষ্টভাবে লেখা। কোনো গোপন শর্ত বা লুকানো ফি নেই।
পেমেন্ট হোক বা সাপোর্ট — c17 সবসময় দ্রুততম সেবা নিশ্চিত করে।
আমরা বিশ্বাস করি দায়িত্বশীল গেমিং সবার জীবনকে সুন্দর রাখে।
প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করে আমরা সদস্যদের অভিজ্ঞতা ক্রমাগত উন্নত করি।
সমাজের প্রতি দায়িত্ব মাথায় রেখে c17 দায়িত্বশীল গেমিং প্রচার করে।
একটি আবেগী দল, যারা প্রতিদিন কাজ করে বাংলাদেশের সদস্যদের সেরা অভিজ্ঞতা দিতে
১৫ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল বিনোদন খাতে পরিবর্তন আনার স্বপ্ন নিয়ে c17 প্রতিষ্ঠা করেন।
পেমেন্ট সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ। c17-এর পুরো টেকনিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার তার নেতৃত্বে তৈরি ও পরিচালিত হয়।
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা নিয়ে আবেগী। c17-এর বাংলা-ফার্স্ট ইন্টারফেস তার হাতের কাজ।
৫০ জনের সাপোর্ট দলের নেতৃত্ব দেন। তার দলের লক্ষ্য একটাই — প্রতিটি সদস্য যেন ভালো অনুভব করেন।
২০১৮ সালে যখন c17-এর যাত্রা শুরু হয়, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং মানেই ছিল ভিনদেশী ভাষার জটিল ইন্টারফেস, অনিশ্চিত পেমেন্ট আর ঝুলে থাকা সমস্যা। সাধারণ মানুষ খেলতে চাইতেন, কিন্তু বিশ্বাস করার মতো একটা জায়গা খুঁজে পেতেন না। এই শূন্যতাটাই c17-এর প্রতিষ্ঠাতাদের অনুপ্রাণিত করেছিল।
আমরা ভেবেছিলাম — যদি এমন একটা প্ল্যাটফর্ম বানানো যায় যেটা সম্পূর্ণ বাংলায়, যেখানে bKash দিয়ে সহজে টাকা দেওয়া যায়, জিতলে দ্রুত টাকা পাওয়া যায় এবং যেকোনো সমস্যায় বাংলায় কথা বলে সমাধান পাওয়া যায় — তাহলে কি বাংলাদেশের মানুষ সেটা ভালোবাসবেন না? সেই প্রশ্নের উত্তরই আজকের c17।
"আমরা চাই প্রতিটি সদস্য c17-এ আসুন বিনোদনের জন্য এবং চলে যান সন্তুষ্ট হয়ে। পুরস্কার পাক বা না পাক — অভিজ্ঞতাটা যেন সবসময় ভালো থাকে।" — রাহেল আহমেদ, CEO, c17
c17-এ নিরাপত্তা কোনো আপোসের বিষয় নয়। আমাদের সমস্ত সিস্টেম ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত, যা আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং মানের সমতুল্য। প্রতিটি লেনদেনে OTP যাচাই ব্যবস্থা আছে এবং বড় উইথড্রয়ালের ক্ষেত্রে KYC যাচাই করা হয়। এই ব্যবস্থাগুলো আপনাকে সুরক্ষিত রাখার জন্য, বাধার জন্য নয়।
c17-এর AI-চালিত ফ্রড ডিটেকশন সিস্টেম ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় থাকে। যদি কেউ আপনার একাউন্টে অস্বাভাবিক কার্যক্রমের চেষ্টা করে, সিস্টেম তাৎক্ষণিকভাবে সেটি চিহ্নিত করে এবং আপনাকে জানায়। সদস্যদের তহবিল সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাংক একাউন্টে রাখা হয় — কোম্পানির পরিচালনা খরচের সাথে কখনো মেশানো হয় না।
c17-এর কাস্টমার সাপোর্ট টিম সম্পূর্ণ বাংলায় কথা বলে — এটি অনেক মানুষের কাছে সবচেয়ে বড় সুবিধা। রাত ৩টায় সমস্যা হলেও লাইভ চ্যাটে বাংলায় সাহায্য পাওয়া যায়। ৫০ জনের বেশি প্রশিক্ষিত এজেন্ট প্রতিদিন সদস্যদের সমস্যা সমাধান করেন।
আমাদের গড় প্রতিক্রিয়া সময় লাইভ চ্যাটে ৩ মিনিটের কম। ইমেইল সাপোর্টে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দেওয়া হয়। সদস্যদের সন্তুষ্টি আমাদের কাছে সংখ্যার চেয়ে বেশি — প্রতিটি অভিযোগ থেকে আমরা শেখার চেষ্টা করি।
c17 দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে গেমিং আনন্দের জন্য, আয়ের উৎস হিসেবে নয়। আমাদের প্ল্যাটফর্মে সদস্যরা নিজের দৈনিক বাজেট লিমিট, সাপ্তাহিক ডিপোজিট সীমা এবং প্রয়োজনে সাময়িক বিরতি সেট করতে পারেন। এই টুলগুলো আমরা সবার জন্য বিনামূল্যে রেখেছি।
যদি কোনো সদস্য মনে করেন গেমিং তার জীবনকে প্রভাবিত করছে, আমাদের সাপোর্ট টিম সেলফ-এক্সক্লুশন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করবে। c17 কখনো কোনো সদস্যকে বেশি বেট করতে চাপ দেয় না। এই বিষয়ে আরও জানতে আমাদের দায়িত্বশীল খেলা পেজ দেখুন।
c17 থেমে নেই। আগামী দিনে আমরা আরও বেশি স্পোর্টস বিভাগ, আরও দ্রুত পেমেন্ট সিস্টেম এবং একটি নেটিভ মোবাইল অ্যাপ আনার পরিকল্পনা করছি। আমাদের লক্ষ্য ২০২৬ সালের মধ্যে ১০ লাখ সক্রিয় সদস্যের পরিবার গড়ে তোলা।
এছাড়া c17 বাংলাদেশের ক্রীড়া সংস্কৃতির সাথে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত হতে চায়। স্থানীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টে স্পনসরশিপ ও তরুণ ক্রীড়াবিদদের সহায়তা করার মাধ্যমে c17 বাংলাদেশের খেলার জগতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চায়।
সত্যিকারের অভিজ্ঞতা, সত্যিকারের মানুষ
bKash দিয়ে টাকা দিলাম, ৫ মিনিটের মধ্যে ব্যালেন্সে এলো। ক্রিকেট ম্যাচে বেট করলাম, জিতলাম। পরদিন টাকা মোবাইলে। এত সহজ ছিল বলে বিশ্বাসই হচ্ছিল না। c17-এর উপর এখন পুরোপুরি বিশ্বাস।
আগে অন্য সাইটে খেলতাম, টাকা তুলতে গেলে সপ্তাহ লেগে যেত। c17-এ এসে দেখলাম সত্যিই আলাদা। সাপোর্টে বাংলায় কথা বলা যায় — এটাই সবচেয়ে ভালো লাগে। মনে হয় নিজের দেশের প্ল্যাটফর্ম।
জ্যাকপটে ৳১,২০,০০০ জিতেছিলাম। প্রথমে ভয়ে ছিলাম এই টাকা আসলে পাব কিনা। কিন্তু c17 ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব পেমেন্ট করে দিয়েছে। এই বিশ্বাসের জন্য সবসময় c17।
৫ লাখের বেশি সদস্য ইতিমধ্যে c17-এর বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করেছেন। আপনি কি এখনও অপেক্ষা করছেন? নিবন্ধন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, মাত্র ২ মিনিট লাগবে।
১৮+ বছর বয়সীদের জন্য। দায়িত্বের সাথে খেলুন।